কৌতুক - নির্দেশ পালন
ডাক্তারের চেম্বারের সামনে দাঁড়িয়ে আছে এক তরুণ। কাছ দিয়েই যাচ্ছিল ঐ তরুণের এক বন্ধু। কথ হচ্ছে উভয়ের মধ্যে-
১ম জনঃ কি ব্যাপার, তুই এখানে দাঁড়িয়ে কি করছিস?
২য় জনঃ মেয়েদের দেখছি!
১ম জনঃ মানে?
২য় জনঃ ঐ দেখ, ডাক্তারের চেম্বারের দরজায় ঝুলানো আছে।
১ম জনঃ "মেয়েদের দেখার জন্য বিকাল ৪টা থেকে ৬টা।" তাতে কী হয়েছে?
২য় জনঃ তাই তো দাঁড়িয়ে নির্দেশ পালন করছি।
হার্ডওয়্যার সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধান : সিস্টেম ইউনিট
Tuesday, February 09, 2010
কম্পিইটারের যাবতীয় যন্ত্রাংশ এই অংশে একসাথে যুক্ত অবস্থায় থাকে। এটি একটি বাক্স আকারে থাকে। কোন কোন ক্ষেত্রে এই বাক্সটি লম্বালম্বি আকারে পাওয়া যায় আবার কোন কোন ক্ষেত্রে এই বাক্সটি আড়াআড়ি থাকে।

এই বাক্সটির অভ্যন্তরে থাকে কম্পিউটারকে পরিচালনা করার যাবতীয় সরঞ্জাম। মাদারবোর্ড, যাবতীয় Ram, পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট, হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ড্রাইভ, সিডি ড্রাইভ সহ সাইন্ড সিস্টেমের যান্ত্রিক সরঞ্জামসমূহ একে অপরের সাথে যুক্ত অবস্থায় থাকে। এগুলোর কোন একটি নষ্ট বা খারাপ হয়ে গেলে কম্পিউটার অচল হয়ে পড়তে পারে। এই সিস্টেম ইউনিটে একমাত্র মাদারবোর্ড সংযুক্ত বিশেষ কয়েকটি ইলেকট্রনিক সার্কিট ছাড়া আর সব অংশই বিচ্ছিন্ন করা যায়। প্রয়োজনে সেগুলো Replace করাও সম্ভব।
সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরস্থ কোনো হার্ডওয়্যার নষ্ট হয়ে গেলে প্রথমে সেগুলোর মধ্যে কোনটি নষ্ট হয়েছে সেটা খুঁজে বের করতে হবে। এই ক্ষেত্রে আপনার কাছে যদি আরেকটি ভাল কম্পিউটার থাকে, তবে সেই কম্পিউটারে উক্ত সিস্টেম ইউনিটের নষ্ট হয়ে যাওয়া অংশগুলোকে লাগিয়ে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।
ধন্যবাদ।

এই বাক্সটির অভ্যন্তরে থাকে কম্পিউটারকে পরিচালনা করার যাবতীয় সরঞ্জাম। মাদারবোর্ড, যাবতীয় Ram, পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট, হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ড্রাইভ, সিডি ড্রাইভ সহ সাইন্ড সিস্টেমের যান্ত্রিক সরঞ্জামসমূহ একে অপরের সাথে যুক্ত অবস্থায় থাকে। এগুলোর কোন একটি নষ্ট বা খারাপ হয়ে গেলে কম্পিউটার অচল হয়ে পড়তে পারে। এই সিস্টেম ইউনিটে একমাত্র মাদারবোর্ড সংযুক্ত বিশেষ কয়েকটি ইলেকট্রনিক সার্কিট ছাড়া আর সব অংশই বিচ্ছিন্ন করা যায়। প্রয়োজনে সেগুলো Replace করাও সম্ভব।
সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরস্থ কোনো হার্ডওয়্যার নষ্ট হয়ে গেলে প্রথমে সেগুলোর মধ্যে কোনটি নষ্ট হয়েছে সেটা খুঁজে বের করতে হবে। এই ক্ষেত্রে আপনার কাছে যদি আরেকটি ভাল কম্পিউটার থাকে, তবে সেই কম্পিউটারে উক্ত সিস্টেম ইউনিটের নষ্ট হয়ে যাওয়া অংশগুলোকে লাগিয়ে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।
ধন্যবাদ।
Labels:
টিপস এন্ড ট্রিকস,
সমস্যা ও সমাধান,
সিস্টেম ইউনিট
হার্ডডিস্কে সমস্যা ও সমাধান
আপনার হার্ডডিস্কটি যে কোনো সময় নষ্ট হয়ে যেতে পারে বা ত্রুটি দেখা দিতে পারে। ছোটখাট ত্রুটিগুলো আপনি যেকোনো Disk First Aid Tool Kit দিয়ে সেরে নিতে পারেন। তবে বড় আকারের কোনো ত্রুটি হলে সেটাকে কোনো ক্রমেই মেরামত করা যায় না। সেই স্থলে একটা নতুন হার্ডডিস্ক লাগাতে হয়।
আপনার হার্ডডিস্ক নষ্ট হয়ে গেলে কম্পিউটার চালানোর সময় ডস প্রম্পটে নিচের লেখা দিতে পারেঃ
NO SYSTEM DISK IS FOUND
অর্থাৎ, আপনার কম্পিউটার চালানোর জন্যে সিস্টেম ডিস্কটি খুঁজে পাচ্ছে না সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ। অবশ্য, সবসময় হার্ডডিস্ক নষ্ট হয়ে গেলেই যে এই ধরনের মেসেজ দিবে তা কিন্তু নয়। অনেক সময় ডসে কোনো ফাইলে ত্রুটি থাকলে এমনটি ঘটতে পারে। তাছাড়া আপনার Ram স্লটে কোনো সমস্যা থাকলে কিংবা পাওয়ার ইউনিটে বা মাদারবোর্ডে সমস্যা থাকলেও এমনটি ঘটতে পারে। সর্বোপরি আপনার হার্ডডিস্কের কেবল ঠিকমতো লাগানো না থাকলে বা ঠিলা হয়ে থাকলে এইধরনের ঘটনা ঘটতে পারে।
আপনার হার্ডডিস্কে সত্যিকার অর্থে জটিল কোনো সমস্যা দেখা দিয়েছে কিনা এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে হলে আপনাকে আরো একটু সতর্ক হতে হবে।
কম্পিউটারের স্টার্ট সুইচ চাপ দিয়ে যখন কম্পিউটার চালু হতে থাকবে তখন সিস্টেম ইউনিটের কাছে আপনার কান নিয়ে যান।
হার্ডডিস্কে বড়ো আকারের কোনো সমস্যা থাকলে এইসময় "ঢং ঢং, টিট টিট, পিপ পিপ" এই ধরনের কিছু ব্যড সাউন্ড হবে। এছাড়া ফ্লেক্সিবল ঘূর্ণায়মান ঝির ঝির শব্দ থেমে থেমে হতে পারে। এমনটি ঘটলে বুঝে নিতে হবে আপনার হার্ডডিস্কে বড় আকারের কোনো ত্রুটি দেখা দিয়েছে।
যদি এমনটি না হয় তাহলে বুঝতে হবে কম্পিউটারের সমস্যা অন্য কোনো জায়গায়। এই অবস্থায় আপনার সিস্টেম ইউনিট বাক্সটা খুলে হার্ডডিস্কে কেবলগুলো ঠিকমতো লাগানো আছে কিনা চেক করে নিন। Ram স্লটগুলো ঠিক জায়গা মতো আছে কিনা চেক করে নিন। পাওয়ার কানেকশন ঠিকমতো মাদারবোর্ডে আছে কিনা চেক করে নিন। সবকিছু ঠিক থাকলে তারপর বক্সটির কভার লাগিয়ে সিপিইউ এর সুইচ অন করুন।
আশাকরি এবার আপনার কম্পিউটার ঠিকঠাক মতো অন হয়ে যাবে। এটা না হলে বুঝতে হবে আপনার হার্ডডিস্কে বা মাদারবোর্ডে সমস্যা আছে। এইসব ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হয় অন্যকোন অ্যাকটিভ কম্টিউটারে আপনার হার্ডডিস্ক সেট করে চেক করে নেয়া- এটা সত্যি নষ্ট হয়েছে কিনা।
যদি সত্যি সত্যি তা নষ্ট হয়ে থাকে তবে সেটা পাল্টে ফেলা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।
ধন্যবাদ...
আপনার হার্ডডিস্ক নষ্ট হয়ে গেলে কম্পিউটার চালানোর সময় ডস প্রম্পটে নিচের লেখা দিতে পারেঃ
NO SYSTEM DISK IS FOUND
অর্থাৎ, আপনার কম্পিউটার চালানোর জন্যে সিস্টেম ডিস্কটি খুঁজে পাচ্ছে না সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ। অবশ্য, সবসময় হার্ডডিস্ক নষ্ট হয়ে গেলেই যে এই ধরনের মেসেজ দিবে তা কিন্তু নয়। অনেক সময় ডসে কোনো ফাইলে ত্রুটি থাকলে এমনটি ঘটতে পারে। তাছাড়া আপনার Ram স্লটে কোনো সমস্যা থাকলে কিংবা পাওয়ার ইউনিটে বা মাদারবোর্ডে সমস্যা থাকলেও এমনটি ঘটতে পারে। সর্বোপরি আপনার হার্ডডিস্কের কেবল ঠিকমতো লাগানো না থাকলে বা ঠিলা হয়ে থাকলে এইধরনের ঘটনা ঘটতে পারে।
আপনার হার্ডডিস্কে সত্যিকার অর্থে জটিল কোনো সমস্যা দেখা দিয়েছে কিনা এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে হলে আপনাকে আরো একটু সতর্ক হতে হবে।
কম্পিউটারের স্টার্ট সুইচ চাপ দিয়ে যখন কম্পিউটার চালু হতে থাকবে তখন সিস্টেম ইউনিটের কাছে আপনার কান নিয়ে যান।
হার্ডডিস্কে বড়ো আকারের কোনো সমস্যা থাকলে এইসময় "ঢং ঢং, টিট টিট, পিপ পিপ" এই ধরনের কিছু ব্যড সাউন্ড হবে। এছাড়া ফ্লেক্সিবল ঘূর্ণায়মান ঝির ঝির শব্দ থেমে থেমে হতে পারে। এমনটি ঘটলে বুঝে নিতে হবে আপনার হার্ডডিস্কে বড় আকারের কোনো ত্রুটি দেখা দিয়েছে।
যদি এমনটি না হয় তাহলে বুঝতে হবে কম্পিউটারের সমস্যা অন্য কোনো জায়গায়। এই অবস্থায় আপনার সিস্টেম ইউনিট বাক্সটা খুলে হার্ডডিস্কে কেবলগুলো ঠিকমতো লাগানো আছে কিনা চেক করে নিন। Ram স্লটগুলো ঠিক জায়গা মতো আছে কিনা চেক করে নিন। পাওয়ার কানেকশন ঠিকমতো মাদারবোর্ডে আছে কিনা চেক করে নিন। সবকিছু ঠিক থাকলে তারপর বক্সটির কভার লাগিয়ে সিপিইউ এর সুইচ অন করুন।
আশাকরি এবার আপনার কম্পিউটার ঠিকঠাক মতো অন হয়ে যাবে। এটা না হলে বুঝতে হবে আপনার হার্ডডিস্কে বা মাদারবোর্ডে সমস্যা আছে। এইসব ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো হয় অন্যকোন অ্যাকটিভ কম্টিউটারে আপনার হার্ডডিস্ক সেট করে চেক করে নেয়া- এটা সত্যি নষ্ট হয়েছে কিনা।
যদি সত্যি সত্যি তা নষ্ট হয়ে থাকে তবে সেটা পাল্টে ফেলা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।
ধন্যবাদ...
Labels:
সমস্যা ও সমাধান
মাউস সমস্যা ও সমাধান
Saturday, February 06, 2010
ইদানিং উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের কাছে মাউস একটি অতি প্রয়োজনীয় উপাদান হিসেব স্বীকৃত হয়েছে। মাউসের সাহায্যে একটি তথ্যের যেকোনো স্থানে তড়িৎ গতিতে যাওয়া যায়। কোনো একটি তথ্য বা তার বিশেষ কোনো অংশকে দ্রুততার সাথে সিলেক্ট বা নির্বাচন করা যায়। কোনো একটি ফাইল খুব তাড়াতাড়ি ওপেন বা ক্লোজ করা যায়। যদিও এই কাজগুলো কীবোর্ড দিয়ে করা যায়, তবুও সেটা হয় ধীর গতির। মাইসের সাহায্যে উক্ত কাজ গুলো অতি দ্রুততার সাথে করা যায়।
বিশেষ করে কোনো গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ মাউস ছাড়া তো কল্পনাই করা যায় না। এই কারনে মাউসের উপর অনেক ব্যবহারকারীই নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। (আমি নিজেও ভয়ঙ্কর ভাবে মাউসেন উপর নির্ভরশীল।)
একটি কম্পিউটারে মাইস লাগানো থাকে চিকন ক্যাবলের মাধ্যমে তার সিপিইউ -এর সাথে। মাউস নাড়াচাড়া করলে একটি পয়েন্টার সেই সাথে দ্রুত নড়াচড়া করতে থাকে। কিন্তু একটি মাউস বেশিদিন ব্যবহার করতে করতে সেটাতে সানারকম সমস্যা দেখা দেয়। একটি মাউসে যেধরনের সমস্যা দেখা দেয় সেগুলো সাধারণত নিম্নরূপঃ
ক. মাউসের কোনো পয়েন্টার মনিটরে দেখা যাচ্ছে না।
খ. মাউস সরালে পয়েন্টার ঠিকমতো সরছে না। আটকে আটকে যাচ্ছে।
গ. ব্যবহারকারী তার ইচ্ছামতো পয়েন্টারকে সরাতে পারছে না।
ঘ. সিঙ্গেল ক্লিক করতে গেলে সাথে সাথে সেটা ডাবল ক্লিক হয়ে যাচ্ছে কিংবা কোনো ক্লিক করলে সেটার অ্যাকশন প্রদর্শিত হচ্ছে না।
ঙ. মাঝে মাঝে পয়েন্টারকে মনিটরের এককোণে দেখা যাচ্ছে এবং সেখান থেকে সেটাকে সরানো যাচ্ছে না।
উপরোক্ত (ক) নাম্বারের সমস্যাটি হতে পারে মাউসের ক্যাবলের কারণে। এই ক্ষেত্রে কম্পিউটার বন্ধ করে তারপর ক্যাবলটি খুলে তা পুনরায় লাগিয়ে দেখা যেতে পারে। [খুলতে গেলে যদি ভিতরের পিন ভাঙে, তাইলে কিন্তু আমি জানি না। ;)]
পরবর্তী (খ) থেকে (ঙ) নাম্বারের সমস্যা গুলোর কারণ হচ্ছে মাউসের অভ্যন্তর ভাগের ত্রুটি। কারণ, যদি মাউসের ক্যাবলে কোনো সমস্যা থাকতো, তাহলে মাউসের পয়েন্টারের কোনো চিন্হই দেখা যেত না মনিটরে। [ইচ্ছা করলে আপনার মাউসটা আমার কাছে পাঠাতে পারেন]
এই অবস্থায় প্রাথমিকভাবে যে কাজগুলো করা যেতে পারে তা নিম্নরূপঃ
# মাউসটি চিৎ করে রেখে নিচের একটি গোলাকার চাকতি আছে, সেটা খুলে ফেলুন। (বল মাউসের জন্য প্রযোজ্য)
# একটি ছোট আকারের শক্ত+ভারী+কোমল বল আছে সেটা মাউস উপুড় করে বের করে নিয়ে আসুন।
# এবার একটি নরম ফ্লেক্সিবল কাপড়ে সামান্য পরিমানে মিঃ/মিসেস ব্রাসো কিংবা এই জাতীয় কোনো লোশন লাগিয়ে সেটা দিয়ে ভেতরকার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চাকাগুলো হালকাভাবে ঘষে ঘষে পরিষ্কার করুন। অনেকসময় এখানে ময়লা জমলে মাউস ঠিকমত কাজ করতে পারে না। (কিন্তু আমি বল মাউস ব্যবহার করি না। হাঃ হাঃ)
# উক্ত বলটিও ঘষে ঘসে পরিস্কার করুন লোশন লাগানো কাপড়ের সাহায্যে।
# এবার বলটি লাগিয়ে পেছনের ঢাকনাটি লাগিয়ে দিন।
# এবার দেখুন তো আপনার মাউস ঠিকমতো কাজ করছে নাকি।
# যদি এবারও ঠিকমতো কাজ না করে, তাহলে বুঝতে হবে আপনার মাউসের স্থায়ী ইলেকট্রনিক সার্কিটে সমস্যা দেখা দিয়েছে। উক্ত সমস্যার একমাত্র সমাধান হচ্ছে মাউসটি বদলে ফেলা। কারণ, উক্ত সার্কিটে কোন পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।
অনেকসময় মাউসের জন্য নির্ধারিত ইউটিলিটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে মাউসটিকে ব্যবহারকারী নিজের পছন্দমত সেটিংস- এর মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারে।
অনেক সময় দেখা গেছে, কোনো ব্যবহারকারী তার মাউসটিকে ডানহাতে ব্যবহার না করে বাম হাতে ব্যবহার করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছে। কিন্তু মাউসের সাধারণ সেটিংসে সেটা সম্ভব নয়। তখন মাউসের সেটিংস বদলাতে হয়।
আমরা সবাই জানি, একটি মাউসের কমপক্ষে দুইটি প্রেস বাটন থকে। এই বাটন গুলো চাপ দেয়ার মাধ্যমে মাউসের মাধ্যমে প্রদত্ত কমান্ডগুলোর কার্যকারিতা দেখা যায়। এই কারনে ডানদিকে মাউস রেখে বাম হাত দিয়ে সেটা ব্যবহার করা সম্ভব নয়। এই অবস্থায় মাউসকে ডানদিকে নিয়ে আসলে সেটার প্রেসবাটনের সেটিং বদলাতে হবে। এই কাজটি করতে হলে আপনাকে মাউসের ইউটিলিটি সফটওয়্যারে কিছু পরিবর্তন করতে হবে।
এই কাজের জন্য নিচের কাজগুলো করুনঃ
১. টাস্কবারের অধীন স্টার্ট মেনুর ওপর মাউসের সিঙ্গেল ক্লিক করুন।
২. প্রদর্শিত মেনু কমান্ডের তালিকা থেকে Settings মেনু অধীনের Control Panel মেনুটি ওপেন করুন।
৩. একটি সংলাপ ঘর প্রদর্শিত হবে। উক্ত সংলাপ ঘর থেকে Mouse আইকনটি ওপেন করুন।
৪. নিচের চিত্রের মতো মাউসের ছবিওলা একটি সংলাপ ঘর প্রদর্শিত হবে।

৫. উক্ত চিতের দিকে ভাল করে লক্ষ্য করুন। সংলাপ ঘরের মধ্যে Button configuration ঘরের দিকে লক্ষ্য করুন। সেখানে Swich primary and secondary buttons ঘরে টিক মার্ক দিয়ে OK করে বের হয়ে আসুন।
ইচ্ছে করলে আপনি আপনার মাউসের ক্লিকিং স্পিড বাড়িয়ে বা কমিয়ে নিতে পারেন। (আমার মতো অলস হলে কমাতে পারেন। নাহলে থাক।)
সবার জন্য শুভ কামনা রইল। ধন্যবাদ।
বিশেষ করে কোনো গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ মাউস ছাড়া তো কল্পনাই করা যায় না। এই কারনে মাউসের উপর অনেক ব্যবহারকারীই নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। (আমি নিজেও ভয়ঙ্কর ভাবে মাউসেন উপর নির্ভরশীল।)
একটি কম্পিউটারে মাইস লাগানো থাকে চিকন ক্যাবলের মাধ্যমে তার সিপিইউ -এর সাথে। মাউস নাড়াচাড়া করলে একটি পয়েন্টার সেই সাথে দ্রুত নড়াচড়া করতে থাকে। কিন্তু একটি মাউস বেশিদিন ব্যবহার করতে করতে সেটাতে সানারকম সমস্যা দেখা দেয়। একটি মাউসে যেধরনের সমস্যা দেখা দেয় সেগুলো সাধারণত নিম্নরূপঃ
ক. মাউসের কোনো পয়েন্টার মনিটরে দেখা যাচ্ছে না।
খ. মাউস সরালে পয়েন্টার ঠিকমতো সরছে না। আটকে আটকে যাচ্ছে।
গ. ব্যবহারকারী তার ইচ্ছামতো পয়েন্টারকে সরাতে পারছে না।
ঘ. সিঙ্গেল ক্লিক করতে গেলে সাথে সাথে সেটা ডাবল ক্লিক হয়ে যাচ্ছে কিংবা কোনো ক্লিক করলে সেটার অ্যাকশন প্রদর্শিত হচ্ছে না।
ঙ. মাঝে মাঝে পয়েন্টারকে মনিটরের এককোণে দেখা যাচ্ছে এবং সেখান থেকে সেটাকে সরানো যাচ্ছে না।
উপরোক্ত (ক) নাম্বারের সমস্যাটি হতে পারে মাউসের ক্যাবলের কারণে। এই ক্ষেত্রে কম্পিউটার বন্ধ করে তারপর ক্যাবলটি খুলে তা পুনরায় লাগিয়ে দেখা যেতে পারে। [খুলতে গেলে যদি ভিতরের পিন ভাঙে, তাইলে কিন্তু আমি জানি না। ;)]
পরবর্তী (খ) থেকে (ঙ) নাম্বারের সমস্যা গুলোর কারণ হচ্ছে মাউসের অভ্যন্তর ভাগের ত্রুটি। কারণ, যদি মাউসের ক্যাবলে কোনো সমস্যা থাকতো, তাহলে মাউসের পয়েন্টারের কোনো চিন্হই দেখা যেত না মনিটরে। [ইচ্ছা করলে আপনার মাউসটা আমার কাছে পাঠাতে পারেন]
এই অবস্থায় প্রাথমিকভাবে যে কাজগুলো করা যেতে পারে তা নিম্নরূপঃ
# মাউসটি চিৎ করে রেখে নিচের একটি গোলাকার চাকতি আছে, সেটা খুলে ফেলুন। (বল মাউসের জন্য প্রযোজ্য)
# একটি ছোট আকারের শক্ত+ভারী+কোমল বল আছে সেটা মাউস উপুড় করে বের করে নিয়ে আসুন।
# এবার একটি নরম ফ্লেক্সিবল কাপড়ে সামান্য পরিমানে মিঃ/মিসেস ব্রাসো কিংবা এই জাতীয় কোনো লোশন লাগিয়ে সেটা দিয়ে ভেতরকার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চাকাগুলো হালকাভাবে ঘষে ঘষে পরিষ্কার করুন। অনেকসময় এখানে ময়লা জমলে মাউস ঠিকমত কাজ করতে পারে না। (কিন্তু আমি বল মাউস ব্যবহার করি না। হাঃ হাঃ)
# উক্ত বলটিও ঘষে ঘসে পরিস্কার করুন লোশন লাগানো কাপড়ের সাহায্যে।
# এবার বলটি লাগিয়ে পেছনের ঢাকনাটি লাগিয়ে দিন।
# এবার দেখুন তো আপনার মাউস ঠিকমতো কাজ করছে নাকি।
# যদি এবারও ঠিকমতো কাজ না করে, তাহলে বুঝতে হবে আপনার মাউসের স্থায়ী ইলেকট্রনিক সার্কিটে সমস্যা দেখা দিয়েছে। উক্ত সমস্যার একমাত্র সমাধান হচ্ছে মাউসটি বদলে ফেলা। কারণ, উক্ত সার্কিটে কোন পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।
অনেকসময় মাউসের জন্য নির্ধারিত ইউটিলিটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে মাউসটিকে ব্যবহারকারী নিজের পছন্দমত সেটিংস- এর মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারে।
অনেক সময় দেখা গেছে, কোনো ব্যবহারকারী তার মাউসটিকে ডানহাতে ব্যবহার না করে বাম হাতে ব্যবহার করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছে। কিন্তু মাউসের সাধারণ সেটিংসে সেটা সম্ভব নয়। তখন মাউসের সেটিংস বদলাতে হয়।
আমরা সবাই জানি, একটি মাউসের কমপক্ষে দুইটি প্রেস বাটন থকে। এই বাটন গুলো চাপ দেয়ার মাধ্যমে মাউসের মাধ্যমে প্রদত্ত কমান্ডগুলোর কার্যকারিতা দেখা যায়। এই কারনে ডানদিকে মাউস রেখে বাম হাত দিয়ে সেটা ব্যবহার করা সম্ভব নয়। এই অবস্থায় মাউসকে ডানদিকে নিয়ে আসলে সেটার প্রেসবাটনের সেটিং বদলাতে হবে। এই কাজটি করতে হলে আপনাকে মাউসের ইউটিলিটি সফটওয়্যারে কিছু পরিবর্তন করতে হবে।
এই কাজের জন্য নিচের কাজগুলো করুনঃ
১. টাস্কবারের অধীন স্টার্ট মেনুর ওপর মাউসের সিঙ্গেল ক্লিক করুন।
২. প্রদর্শিত মেনু কমান্ডের তালিকা থেকে Settings মেনু অধীনের Control Panel মেনুটি ওপেন করুন।
৩. একটি সংলাপ ঘর প্রদর্শিত হবে। উক্ত সংলাপ ঘর থেকে Mouse আইকনটি ওপেন করুন।
৪. নিচের চিত্রের মতো মাউসের ছবিওলা একটি সংলাপ ঘর প্রদর্শিত হবে।

৫. উক্ত চিতের দিকে ভাল করে লক্ষ্য করুন। সংলাপ ঘরের মধ্যে Button configuration ঘরের দিকে লক্ষ্য করুন। সেখানে Swich primary and secondary buttons ঘরে টিক মার্ক দিয়ে OK করে বের হয়ে আসুন।
ইচ্ছে করলে আপনি আপনার মাউসের ক্লিকিং স্পিড বাড়িয়ে বা কমিয়ে নিতে পারেন। (আমার মতো অলস হলে কমাতে পারেন। নাহলে থাক।)
সবার জন্য শুভ কামনা রইল। ধন্যবাদ।
Labels:
সমস্যা ও সমাধান
Ram সমস্যা
Friday, February 05, 2010
আপনার কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে লাগানো Ram এ সমস্যা থাকলে উক্ত Ram স্লটটি মাদারবোর্ড থেকে খুলে অন্য অন্য একটি Ram স্লট লাগিয়ে পরীক্ষা করে দেখতে পারেন কোনো সমস্যা হচ্ছে কিনা।

Ram স্লট খোলার জন্যে আপনি আপনার দুই হাত ব্যবহার করবেন। দুই হাতের তর্জনী আঙুলের সাহায্যে Ram স্লটের দুইপাশের ক্লিপে চাপ দিন। Ram স্লট সুন্দরভাবে খুলে আসবে।
ত্রুটিপূর্ণ Ram সিপিউতে লাগিয়ে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। কারেণ Ram স্লটের দাম খুব একটা বেশি না। সুতরাং কোনো Ram ত্রুটিপূর্ণ হয়েছে বুঝতে পারার সাথে সাথে সেটি বদলে ফেলাই ভালো। নতুবা, পরবর্তীতে এর প্রভাব পড়তে পারে আপনার দামী মাদারবোর্ডে। কিংবা অন্য কোনো যন্ত্রাংশের উপর।
ধন্যবাধ।
কেমন লাগল অবশ্যই কমেন্ট লিখে জানাতে ভুলবেন না।

Ram স্লট খোলার জন্যে আপনি আপনার দুই হাত ব্যবহার করবেন। দুই হাতের তর্জনী আঙুলের সাহায্যে Ram স্লটের দুইপাশের ক্লিপে চাপ দিন। Ram স্লট সুন্দরভাবে খুলে আসবে।
ত্রুটিপূর্ণ Ram সিপিউতে লাগিয়ে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। কারেণ Ram স্লটের দাম খুব একটা বেশি না। সুতরাং কোনো Ram ত্রুটিপূর্ণ হয়েছে বুঝতে পারার সাথে সাথে সেটি বদলে ফেলাই ভালো। নতুবা, পরবর্তীতে এর প্রভাব পড়তে পারে আপনার দামী মাদারবোর্ডে। কিংবা অন্য কোনো যন্ত্রাংশের উপর।
ধন্যবাধ।
কেমন লাগল অবশ্যই কমেন্ট লিখে জানাতে ভুলবেন না।
Labels:
Ram সমস্যা,
কম্পিউটার টিপস্,
সমস্যা,
সমস্যা ও সমাধান,
সমাধান
Nei Proyojon
Nei Proyojon
artist: Warfaze
album: Unknown
tumi ami jeno chilem
shopne gora jugol
jol rong e aka chilo je
shopne bhora bhubon
koto shukher anagonai
ketechilo shomoy
boshe bhabi ajo ami
ki kore emon hoi?
aj tomake nei proyojon
nei ayojon nei ei mon e
bhalobasha je dhulobalite
mishe jai shomoyer e khon e
din kete jai tumi nei tobuo
ratri pohai tumi nei tobuo
shei tumi je aj nei pashe
hete chole poth e ami aj eka
shei tumi je aj por hole
rekhe gele na pabar koto betha
din kete jai tumi nei tobuo
ratri pohai tumi nei tobuo
aj tomake nei proyojon
nei ayojon nei ei mon e
bhalobasha je dhulobalite
mishe jai shomoyer e khon e
chere gele tai bole ki
britha jabe ei jibon?
tobuo agai shamne dekho ami
shopne bhora du noyon
aj tomake nei proyojon
nei ayojon nei ei mon e
bhalobasha je dhulobalite
mishe jai shomoyer e khon e
artist: Warfaze
album: Unknown
tumi ami jeno chilem
shopne gora jugol
jol rong e aka chilo je
shopne bhora bhubon
koto shukher anagonai
ketechilo shomoy
boshe bhabi ajo ami
ki kore emon hoi?
aj tomake nei proyojon
nei ayojon nei ei mon e
bhalobasha je dhulobalite
mishe jai shomoyer e khon e
din kete jai tumi nei tobuo
ratri pohai tumi nei tobuo
shei tumi je aj nei pashe
hete chole poth e ami aj eka
shei tumi je aj por hole
rekhe gele na pabar koto betha
din kete jai tumi nei tobuo
ratri pohai tumi nei tobuo
aj tomake nei proyojon
nei ayojon nei ei mon e
bhalobasha je dhulobalite
mishe jai shomoyer e khon e
chere gele tai bole ki
britha jabe ei jibon?
tobuo agai shamne dekho ami
shopne bhora du noyon
aj tomake nei proyojon
nei ayojon nei ei mon e
bhalobasha je dhulobalite
mishe jai shomoyer e khon e
Labels:
Warfaze
Shadhikar
Shadhikar
artist: Warfaze
album: Unknown
tumi ki dekhecho
dusshomoyer shontan
chitkar kore janai
odhikarer kotha
tumi ki shunecho
ei shomoyer nirjash
gontobbe paa barai
kisher e hotashai
tumi ki diyecho
tomar oi shathider
jara upore takai
tomai upor bhebe?
tumi ki janona
akasher tarara
nibhe gele ek e ek
shob e adhar timir?
tumi ki dekhecho
dusshomoyer shontan
chitkar kore janai
odhikarer kotha
tumi ki shunecho
ei shomoyer nirjash
gontobbe paa barai
kisher e hotashai
tumi ki diyecho
tomar oi shathider
jara upore takai
tomai upor bhebe?
tumi ki janona
akasher tarara
nibhe gele ek e ek
shob e adhar timir?
amra to dekhte chai
bhor er surjo laal
raat periye asha
dhorjer shur
bohudur pothe
kono pore ache
joma howa bishonnota
bhenge shamne..
shimana dekha jai
notun asha jagai
hotasha muche jai
notun suchonai..
tumi ki diyecho
tomar oi shathider
jara upore takai
tomai upor bhebe
artist: Warfaze
album: Unknown
tumi ki dekhecho
dusshomoyer shontan
chitkar kore janai
odhikarer kotha
tumi ki shunecho
ei shomoyer nirjash
gontobbe paa barai
kisher e hotashai
tumi ki diyecho
tomar oi shathider
jara upore takai
tomai upor bhebe?
tumi ki janona
akasher tarara
nibhe gele ek e ek
shob e adhar timir?
tumi ki dekhecho
dusshomoyer shontan
chitkar kore janai
odhikarer kotha
tumi ki shunecho
ei shomoyer nirjash
gontobbe paa barai
kisher e hotashai
tumi ki diyecho
tomar oi shathider
jara upore takai
tomai upor bhebe?
tumi ki janona
akasher tarara
nibhe gele ek e ek
shob e adhar timir?
amra to dekhte chai
bhor er surjo laal
raat periye asha
dhorjer shur
bohudur pothe
kono pore ache
joma howa bishonnota
bhenge shamne..
shimana dekha jai
notun asha jagai
hotasha muche jai
notun suchonai..
tumi ki diyecho
tomar oi shathider
jara upore takai
tomai upor bhebe
Labels:
Warfaze
Subscribe to:
Posts (Atom)
